Articles by "Freelancing"



Online Bank Payza Account Bangladesh থেকে খোলার উপায় এবং ভেরিফিকেশন করার নিয়ম ও ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাই ও সংযুক্ত করার নিয়ম ।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম


সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি.

একদম ফ্রিতে. সবার জন্য



##Online Bank Payza Account Tutorial । ##

আমরা সবাই জানি যে অনলাইনে আয়কৃত টাকা উঠানোর ক্ষেত্রে পেপাল একটি শ্রেষ্ট কম্পানি কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে বাংলাদেশে পেপাল নেই কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা কারো উপর বরশা করে বসে থাকেনা । তারা পেপালকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে  । বর্তমানে  পেপালের অনেকগুলো বিকল্প রয়েছে কিন্তু আমার মতে পেজা একটি সেরা বিকল্প কারণ পেইজা আপনাকে যে সুবিধা দিচ্ছে অন্য কোনো কম্পানি আপনাকে এত সুবিধা দিবে না । তাছাড়া অন্যান্য কম্পানির তুলনায় পেজাতে সাশ্রয় রয়েছে ।  Payza তে খরছ অনেক কম ।
বিশ্বের প্রায় ৯০ টির বেশী দেশে পেইজা কার্যক্রম আছে, সেই হিসাবে বাংলাদেশে এর আঞ্চলিক অফিস আছে। পেইজা একাউন্ট ক্রিয়েট করা খুব কঠিন কাজ নই।

**Payza account থাকার সুবিধাঃ 

 

  1. Online Bank Payza Account থাকলে অনলাইনে আয়কৃত টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে তুলতে পারবেন ।
  2. অনালাইনে আয়কৃত টাকা ATM  বুথের মাধ্যমে তুলতে পারবেন । ( মাস্টার কার্ড দিয়ে )
  3. একটি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার  কার্ড পাচ্ছেন ।
  4. Payza Account থেকে  Payza Account  তে টাকা পাঠাতে পারবেন ।
  5. Bkash দিয়ে টাকা  যোগ করতে পারবেন ।
  6. Bangladesh Comercial Bank  দিয়ে টাকা  যোগ করতে পারবেন ।
  7. ডলারকে টাকা হিসেবে তুলতে পারবেন ব্যাংকের মাধ্যমে ।
  8. Payza Account এর ডলারকে টাকা হিসেবে ATM  বুথের মাধ্যমে তুলতে পারবেন ।
  9. মাস্টার কার্ডের মাসিক ও বার্ষিক কোনো চার্জ নেই ।
  10. মাস্টার কার্ড দিয়ে ফেসবুকে ও গুগলে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন ।
  11. অনালাইনে শপিং করতে পারবেন ।
  12. আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্য Godaddy,namecheap etc থেকে ডোমাইন নিতে পারবেন ।



    Payza Account খোলার নিয়মঃ

     




    **ধাপ ১ ।  প্রথমে এই লিঙ্কে যান ।

     তারপরে Sign Up অথবা Get your Personal Account Now তে ক্লিক                  করুন একদম নিচের ছবির মত Mouse ফলো করেন ।
      




    **ধাপ ২ । তারপরে Country বাংলাদেশ দিয়ে  personal এ ক্লিক করুন





    **ধাপ ৩ । তারপরে নিচের মত একটা ইন্টারফেস আসবে   । salutation মানে উপাধি ,আপনার                             salutation যেটা সেটা দিবেন । First Name এ আপনার নামের প্রথম অংশ । Last Name এ                    আপনার নামের  দ্বিতীয় অংশ । তারপরে আপনার ইমেল ও পাসওয়ার্ড দিন ।  

    ***Note : আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অনুযাই সবটা দিতে হবে ,না হয় আপনার Payza Verification  হবে না 
    _________________________________________________________________________________

     FREELANCING করার জন্য সঠিক গাইড লাইন [Bn-Teamitwork]

    _________________________________________________________________________________



    **ধাপ ৪ ।  তারপরে আপনার ইমেইলে একটা লিঙ্ক পাঠাবে ,লিঙ্কে ক্লিক করে ইমেইলটা ভেরিফাই করে নিবেন

    **ধাপ ৫ । ইমেইল Verify হলে নিচের মত একটা ইন্টারফেস আসবে  , তারপর বাম পাশ থেকে Complete Profile এ ক্লিক করে  আপনার আইডি কার্ড অনুযায়ী সকল তথ্য দিবেন  ,আমি জানি             আপনারা   পারবেন তাই আর বিস্তারিত বললাম না ।





    **পেইজা একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম ( How To verify Payza Account )

     


    *একউন্টটি অবশ্যই ভেরিফাই হতে হবে। কেননা, ভেরিফাই করা না হলে আপনি পেইজা হইতে আপনার অর্থ ব্যাংকে ডিপোজিট কিংবা উত্তোলন করতে পারবেন না। একাউন্ট ভেরিফাইও খুব একটা কঠিন কাজ নই। একাউন্ট ভেরিফাই করতে...........
    আপনার নামের পাশে একটা এরো চিহ্ন দেখতে পাবেন ওটাতে ক্লিক করলে একটা ফ্লাট মেনু দেখতে পাবেন তারপরে Verification এ ক্লিক করুন  >Document Validation  এ ক্লিক করুন ।
    National Id Card বা passport যেটা আপনার জন্য সুবিধা সেটা সিলেক্ট করুন । ওইটার নাম্বার দিন ।
    তারপরে NID এর পেছনের অংশ আপ্লোড করতে হবে । ফটোশপ দিয়ে ইডিট করতে পারেন ।
    তারপরে আপনার ছবি আপ্লোড করতে হবে ,তবে সাবধান যার আইডি তার ছবি হতে হবে । সাবমিট করলে  Payza Account ২-৩ দিনের মধ্যে ভেরিফাই হয়ে যাবে ।

    ***ভেরিফাই না হওয়ার কিছু কারণঃ
    1. অস্পষ্ট ডকুমেন্ট বা ছবি আপ্লোড করলে
    2. একাউন্টের নামের সাথে ডকুমেন্টের নাম মিল না থাকলে
    3. ভুল তথ্য বা ইনফরমেশান  দিলে  
    সাধারণত উপরে উল্লেখিত কারণে  Payza Account ভেরিফাই হয় না । আর যদি  Payza Account ভেরিফাই না হয় আপনি লাইভ সাপোর্টে কথা বলেন ।


    পেইজা প্রিপেইড কার্ড ( Payza prepaid card )

    পেইজা আপনাকে অসাধারণ একটা সুবিধা দিচ্ছে । এই প্রিপেড কার্ডের মাধ্যমে অনলাইন উদ্যোক্তাদের ঝামেলার অবসান ঘটলো । মাত্র ১৬০০ টাকা খরছ করে আপনি  Payza Account  থেকে একটি কার্ড পেতে পারেন । তাছাড়া মাসিক ও বাৎসরিক কোনো ফী নেই । কার্ডটি পেতে Wallet এ ক্লিক করুন , prepaid card এ ক্লিক করুন তবে তার আগে একাউন্টে $19.95 বা ১৬০০ টাকা এড করুন তারপরে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন । আপনার বাসার ঠিকানায় কার্ডটি পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ ।


    **কিভাবে ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাই ও সংযুক্ত করবেন?***

     


    শুধু ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করলেই হবে না সেটি ভেরিফাই হতে হবে। পেইজা একউন্টে ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত না থাকলে আপনার ব্যাংক একউন্ট যুক্ত করে নিন এখনি। এই জন্য Bank Accounts > Add Bank Account অংশে ক্লিক করে আপনার ব্যাংকের যাবতীয় তথ্যাদি দ্বারা পূরন করে নিন।
    ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করা হলে আপনার পেইজা একাউন্ট হতে ক্ষুদ্র পরিমান অর্থ (যেমন: ০.১০ কিংবা ০.২৫ ডলার) আপনার ব্যাংক একাউন্টে প্রেরন করা হবে। এই ক্ষেত্রে অাপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট হতে জেনে নিন কত পরিমান অর্থ পেইজা হতে জমা হয়েছে। সুতরাং সেই পরিমানের অর্থ/সংখ্যাটি পরবর্তীতে আপনার পেইজা একউন্টে উল্লেখ করে দিলেই ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাইড হিসাবে সংযুক্ত হয়ে যাবে।

    পেইজা হইতে কিভাবে অর্থ ব্যাংক একাউন্টে উইথড্র করবেন?


    Wallet > Withdraw Funds অংশে যান > অাপনি কোন অপশনের মাধ্যমে উইথড্র করবেন যেমন-
    Over the Bank Counter- এখানে সরাসরি ব্যাংক কাউন্টার হইতে টাকা উঠাতে শুধুমাত্র ৫০/- খরচ হবে। তবে এটা সব জেলাতে কাজ হবে না। ঢাকাতে কমার্স ব্যাংক এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। তাই এই ক্ষেত্রে আপনাকে Bank Transfer অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে এমাউন্টের পরিমান/বিবরন লিখে কনফার্ম করলেই ৪/৫ দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমা হবে। এই ক্ষেত্রে ২৪০/- সার্ভিস চার্জ কর্তন যাবে। এই ক্ষেত্রে বড় এমাউন্ট লেনদেনের দিক হতে ভাল হয়।
    এই যেমন- ৪-৫ দিন পূর্বে আমার একাউন্টে বিভিন্ন সাইট হতে আয়কৃত অর্থ বাংলাদেশী টাকাতে প্রায় ২,০৪৫/- জমা হয় সেখান হতে আমার ইসলামী ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করলে ২৪০/- টাকা বাদ দিয়ে ১৮০৫/- টাকা জমা হয়েছে।


     



    *** টিউনটি পড়ে যদি মনে হয় আপনি উপকৃত হয়েছেন তাহলে আপনি এটি  ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারে   শেয়ার করতে ভুলবেন না  ***

    ##বিশেষ দ্রব্যস্টঃ   সবচেয়ে সহজ ভাবে , একদম ফ্রীতে, পরিস্রম করে.. 
    কিভাবে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম/এফিলিয়েশন //মার্কেটিং  করে ইনকম/আয় করবেন , সমপুর্ণ টিউটোরিয়াল
    ধারাবাহিক ভাবে পোষ্ট পাবলিশ করা হবে/হচ্ছে আমাদের  Bn-TeamITwork ওয়েবসাইটে।

    ## সকল পোষ্ট পেতে আমাদর সাথে এক্টিভ থাকনুন ধন্যবাদ। ##

     


     



     

     





     FREELANCING করার জন্য সঠিক গাইড লাইন [Bn-Teamitwork]


    বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

    সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি.

    একদম ফ্রিতে. সবার জন্য

     



    আউটসোর্সিং’, ‘ফ্রিল্যান্স’, ‘আয় করুন বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে বসেই’ ইত্যাদি শব্দ বা বাক্যের সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। এই বিষয়গুলো নানা সময় নানাভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়ে থাকে। তরুণদের অনেকেই মনে করেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করলেই বুঝি কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার আসতে থাকবে। কিন্তু আউটসোর্সিংয়ের কাজে সাফল্যের খবর যেমন জানা যায়, ব্যর্থতার খবর তেমন নয়। প্রকৃতপক্ষে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে ব্যর্থতার ঘটনা অনেক বেশি। কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন ছাড়া অনলাইনে আয় করা সম্ভব নয়। শুরুর আউটসোর্সিং বিষয়টা সম্পর্কে জানতে হবে।
    অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ে এখন অনেকেরই আগ্রহ। এ কাজ শুরুর আগে দক্ষ হতে হবে। মডেল: স্বর্ণ, ছবি: সুমন ইউসুফ


    ফ্রিল্যান্সার



    ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্ত না থেকেই কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অন্যান্য কাজ করতে পারেন।


    আউটসোর্সিং

    কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ আউটসোর্স করা হয়ে থাকে। এই কাজগুলো অপর কোনো প্রতিষ্ঠান করতে পারে অথবা একজন ফ্রিল্যান্সারও কাজটা করে দিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো আউটসোর্স করার অনেক ধরনের কারণ রয়েছে, দক্ষ লোককে দিয়ে কাজ করানো, কম মজুরির হার, কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা, সামগ্রিক ব্যয় কমানো, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্যান্য কাজে নিয়োগ করাসহ আরও কারণ রয়েছে।
    অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত) যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার আউটসোর্সিং মানেই সব সময় যে অনলাইনে কাজ করা এমন নয়। ধরা যাক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শার্ট তৈরি করা হয় এবং শার্টের বোতামগুলো এই কারখানায় তৈরি করা হয় না। এগুলো সরবরাহ করা হয় অপর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ তৈরি পোশাক কারখানাটি বোতাম তৈরির আলাদা ব্যবস্থা না রেখে অন্য কারখানা থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে।

     FREELANCING করার জন্য সঠিক গাইড লাইন [Bn-Teamitwork]


    অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়ার পদ্ধতি


     

    ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীরা এখানে নিয়মিত কাজ করছেন। আবার বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা মার্কেটপ্লেসও রয়েছে। এই বাজারে কাজগুলোর বর্ণনা থাকে এবং যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁরা কাজটি কত সময়ের মধ্যে এবং কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করতে পারবেন তা উল্লেখ করে আবেদন করবেন। এরপর আলোচনার মাধ্যমে যিনি কাজটি করাবেন তিনি কোনো একজনকে নির্বাচন করবেন।
    অনলাইন মার্কেটগুলোতে কাজের বর্ণনা সাধারণত ইংরেজিতে দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা জানেন এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, পৃথিবীর এমন যে কেউই এই কাজগুলো করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করলেই কাজ পাওয়া যাবে এমন না, এটি প্রায় সম্পূর্ণভাব নির্ভর করে দক্ষতার ওপর। দক্ষতা ছাড়া কাজের জন্য আবেদন করা হলে হয়তো কখনো যোগাযোগই করা হবে না।
    অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৫০০-এরও বেশি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। যে বিষয় নিয়েই কাজ করা হোক না কেন, ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। কাজের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া, কাজের বিভিন্ন ধাপে এবং সম্পন্ন করার পর পর্যন্ত কাজদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। যোগাযোগের দুর্বলতা থাকলে কোনো কারণে কাজ পাওয়া গেলেও নিয়মিতভাবে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।


    কাজ শেখা ও দক্ষতা অর্জন


     


    ‘আলাদাভাবে শেখার প্রয়োজন নেই, কাজ করতে করতে শেখা হবে’—ধারণাটি এ ক্ষেত্রে ভুল। কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে সর্বোচ্চ দক্ষতা না থাকলেও অবশ্যই কাজটি সম্পন্ন করার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। কাজের মাধ্যমে শেখা শুরু করলে প্রায় কখনোই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করা যায় না। নিজের আগ্রহ কোন দিকে রয়েছে, সেটা বুঝতে হবে প্রথমে এবং এরপর সেই বিষয়সংশ্লিষ্ট কাজগুলো খুঁজে বের করতে হবে মার্কেট থেকে। কাজের বর্ণনায় লেখা থেকেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কী কী বিষয় শেখা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


    কাজ শেখার সব থেকে বড় উৎস হলো ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব এবং এখান থেকেই শেখা শুরু করা যেতে পারে। অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রায় সব বিষয় সম্পর্কেই জানা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা করা হলে ধীরে ধীরে বিষয়টি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা সম্ভব। পাশাপাশি শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে বা কোনো কোর্স করার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন নয়। নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। আবার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও, পাশাপাশি নিজের আলাদাভাবে শেখার কাজটি চালিয়ে যেতে হয়।


    আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ফলেই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা না থাকলে কাজ পাওয়া বা উপার্জনের আশা করাটা ভুল। কত কম সময়ের মধ্যে কত বেশি পরিমাণ উপার্জন সম্ভব, এমন লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ালে জয়লাভ করা যাবে না। দক্ষতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।




    ##বিশেষ দ্রব্যস্টঃ   সবচেয়ে সহজ ভাবে , একদম ফ্রীতে, পরিস্রম করে.. 
    কিভাবে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম/এফিলিয়েশন //মার্কেটিং  করে ইনকম/আয় করবেন , সমপুর্ণ টিউটোরিয়াল
    ধারাবাহিক ভাবে পোষ্ট পাবলিশ করা হবে/হচ্ছে আমাদের  Bn-TeamITwork ওয়েবসাইটে।

    ## সকল পোষ্ট পেতে আমাদর সাথে এক্টিভ থাকনুন ধন্যবাদ। ##

     


     



     

     

    MKRdezign

    Contact Form

    Name

    Email *

    Message *

    Powered by Blogger.
    Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget
    লাইক এবং ম্যাসেজ করুন
    ×
    _

    নিচে থেকে আমাদের পেজ লাইক করুন সঙ্গে চাইলে আমাদের ম্যাসেজ ও করতে পারেন।